স্বপ্নের ওপাশে আমাদের শহিদ নূর হোসেন - মম জামিত,ঢাবি।
১০ নভেম্বর আন্দোলন হল বিশ্বভণ্ড এরশাদ মিছিলে গুলি করলো ছি! ভণ্ড এরশাদ, ছি! তুই এটা কী করলি? যখন একটি ছবির জন্যে পুলিশের উত্তপ্ত বন্দুকে একটা বিন্দু স্থাপিত হল মৃত্যু নিয়ে তখন বিশ্বসভ্যতার সত্য মিছিলে নূর হোসেন দাঁড়িয়ে ছিলেন স্বপ্ন সিঁড়ির ওপাশে দুই হাতে দুটি স্বপ্ন নিয়ে মিছিলের মাঝে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতীক হয়ে। একজন লিখে দিলেন তাঁর পবিত্র বুকে ও ঐতিহাসিক পিঠে- 'গনতন্ত্র মুক্তি পাক' আর বুকে লিখে দিলেন- 'স্বৈরাচার নীপাত যাক' নূর হোসেন উচ্চকণ্ঠে আওয়াজ করলেন আর অমনি মিছিলের সমস্ত স্লোগান বারুদের চেয়েও উত্তপ্ত হল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি কৃষ্ণচূড়ার মতো আগুনে আগুনে। একজন ডাকলেন তাঁকে! যিনি ডাকলেন তিনি ছিলেন শেখ মুজিবের হৃদপিণ্ড। তিনিই প্রথম বলেছিলেন- তাঁর বুকে-পিঠে ইতিহাস দেখে। তিনি বললেন- "তার গায়ের এই লেখাগুলোর কারনে পুলিশ তাকে গুলি করবে" নূর হোসেন কবির মত দ্বীপ্ত কণ্ঠে বললেন- "আপা আপনি আমাকে দোয়া করুন, আমি গণতন্ত্র রক্ষায় আমার জীবন দিতে প্রস্তুত" ১০ নভেম্বর আন্দোলন হল বিশ্বভণ্ড এরশাদ মিছিলে গুলি করল। ছি! ভণ্ড এরশাদ, ছি! তুই কী করলি এটা? নূর হোসেন শহিদ হলেন! পুলিশের গুলিতে। মিছিলের সারিতে প্রদীপের আলোতে নূর হোসেন আর ফিরলেন না! নূর হোসেন আর স্লোগানের মতো মিছিল করলেন না! নূর হোসেন কে দেখলাম কবিতায় নূর হোসেন কে দেখলাম রাজু ভাস্কর্যে অজস্র শিক্ষার্থীর স্লোগানের কণ্ঠে একদিন। ফিরলেন শহিদ হয়ে স্বপ্নের আগে বাংলাদেশে নূর হোসেন বুকের তাজা রক্ত দিয়ে সেদিন।
![]() |
| ল্যাপটপ স্ট্যান্ড কিনুন বিডি শপ থেকে। |



No comments